মেনু নির্বাচন করুন
উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস

অফিসের ঠিকানাঃ

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়

দাউদকান্দি,কুমিল্লা

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

 

সিটিজেন চার্টার

অফিসের নামঃ উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস

দাউদকান্দি,কুমিল্লা।

 

১। সেবার ধরন বিবরণ ও ভূমি মালিকের করনীয় ।

ক) জরিপ শুরু করার পূর্বে সেটেলমেন্ট অফিসার স্থানীয় প্রশাসনসহ ভূমি মালিকগণকে অবহিত করে জরিপ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেন এ কাজে মাইকিং ও পত্রিকা বিজ্ঞপ্তির ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়।  নিজ নিজ জমির আইল সীমানা সঠিক ভাবে চিহ্নিত করে রাখতে হবে। 

খ) ট্রাভার্সঃ কোন মৌজার নকসা সম্পুর্ন নতুন করে প্রস্ত্তত করতে সরেজমিনে সাথে সঙ্গতি রেখে একটি নিদিষ্ট স্কেলে প্রাথমিক ভাবে নকসা প্রস্ত্ততের যে কাঠামো স্থাপন করা হয়। সেটাই ট্রার্ভাস। ট্রার্ভাসের সাহায্যে ভিত্তি করে সীটের মাধ্যমে মৌজার নকশা প্রস্তত করা হয়। 

গ)  কিস্তোয়ারঃ- এই স্ত্তরে আমিনদল ভূমিমালিকগণ কর্তৃক চিহ্নিত আইল সীমানা অনুযায়ী প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নকশা অংকন বা সংশোধন করেন।

ঘ)   খানাপুরীঃ- কিস্তোয়ার স্তরে অংকিত নকশার প্রত্যেকটি দাগে সরেজমিনে  উপস্থিত হয়ে আমিনদল জমির দাগ নম্বর দিবেন এবং মালিকের রেকর্ড দলিল পত্র যাচাই করে প্রাথমিক মালিকের নাম ঠিকানা অন্যান প্রয়োজনীয় তথ্য খতিয়ানে লিপিবদ্ধ  করেন।

ঙ)  বুঝারতঃ- বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেওয়া  এ স্তরে নতুন আমিনদল কর্তৃক খতিয়ান পর্চায় জমির পরিমান উল্লেখ করে বিনামূল্যে উক্ত পর্চা জমির মালিককে সরবরাহ করা হয়। যা মাঠ পর্চা নামে পরিচিত। জমিরমালিকগণ উক্ত পর্চা যাচাই করে ভূল ক্রটি হইলে তা সঠিক করিয়া দিয়ে থাকি। 

চ) তসদিকঃ ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে খানাপুরী ও স্তরের খতিয়ান প্রনীত হয় মৌসুমী কর্মচারী বা আমিনগন তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার বুজারত স্তারের মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজ পত্র ও প্রামানাদি যাচাই করে প্রতিটি খতিয়ান করে প্রতিটি সংশোধন প্রয়োজন মনে করলে দাখিল করতে পারেন এবং উপর্যুক্ত প্রমান উপস্থাপন করে তা সংশোধনের সুযোগ নিতে পারেন। কোন আপত্তি বা দাবী থাকলে সরকার নির্ধারিত ১০.০০ টাকার কোর্ট ফি দিয়ে আপত্তি দায়ের করা যাবে। এটাই ৩০ বিধির আপত্তি।

ছ) আপত্তি শুনানীঃ ডিপি চলাকালে গৃহীত আপত্তি মামলাসমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ মারফতে জ্ঞাত করে নিদিষ্ট সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহন করে  নিষ্পত্তি করা হয়। আপত্তি অফিসারের নিকট উপস্থাপন করতে পারেন। আপত্তি অফিসার পক্ষগনকে উপস্থাপন শূনানী দিয়ে কেস নথিতে লিপিবন্ধ ও পর্যালোচনা করে তার সিদ্ধান্ত জানাবেন। এবং আইনুযায়ী রেকর্ডে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনবেন। 

জ)  আপীল শুনানীঃ আপত্তির রায়ে সংযু্ক্ত কোন পক্ষ ৩১ বিধিতে আপীল দায়ের করলে এ পর্য্যায়ে সকল আপীলের শুনানির নিষ্পত্তি কর হয়।

ঝ) চুড়ান্ত প্রকাশনাঃ উপরোক্ত স্তর সমূহের কাজ সমাপ্তির পর আনুষাঙ্গিক কার্যাদি সম্পনন করে পর্চা ও নকশা মুদ্রনে করা হয়। মুদ্রিত নকশা ও প্রকাশনার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলায় একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। চুড়ান্ত প্রকাশনার সময়কাল ৩০ কার্যদিবস । প্রতিটি পর্চা ৬০.০০ টাকা এবং প্রতিটি নকশা ৩৫.০০ টাকা । মৌজা রেকর্ড চুড়ান্ত প্রকাশনার গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১ বছরের মধ্যে চুড়ান্ত প্রকাশিত রেকর্ডের বিষয়ে কোন আপত্তি থাকলে সে সর্ম্পকে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল/দেওয়ানী আদালতে প্রতিকার প্রার্থনা করা যাবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ছবি নাম মোবাইল
মোঃ সামছুদ্দিন 0

ছবি নাম মোবাইল
মো:জহিরুল ইসলাম 01811919714

ছবি নাম মোবাইল

0

মোঃ সামছুদ্দিন

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

০১৫৫২৩০৯৭৬৩



Share with :

Facebook Twitter