মেনু নির্বাচন করুন

আকবর আলী খান কারিগরি ও বাণিজ্য কলেজ

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

ইহা একটি বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে এ প্রতিষ্ঠানটি কর্ম সংস্থানের অনুপযোগি গুনে  ধরা গতানুগতিক  শিক্ষা ব্যবস্থায় বিশ্বস্থ নয়। প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই ,’’ পুথিগত বিদ্যা আর পরহস্তে ধন, নহে বিদ্যা নহে ধন হলে প্রয়োজন।’’ সর্বদাই ঘৃণা করে আসছে। উন্নয়নশীল বাংলাদেশে  জনসংখ্যার তুলনায় কর্ম সৃষ্টি অথবা কর্মসংস্থানের তেমন  সূযোগ না থাকায় কলেজটি সরকারের পাশাপাশি শিক্ষার মাধ্যমে স্বকর্মে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ১৯৭৫ সালে স্বল্পমেয়াদি আত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করে। এ ব্যবস্থায় কালক্রমে ৩০টি কোর্স চালু করা হয়। দীর্ঘমেয়াদি কোর্সসমূহের মধ্যে ১৯৭১ সালে বাংলাধেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃত ২ বৎসর মেয়াদি ডিপে­ামা-ইন-কমার্স (এইচএসসি সমতুল্য), ১৯৮৯ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা কর্তৃক স্বীকৃত ২ বৎসর মেয়াদি ডিপে­ামা-ইন-বিজনেস ষ্টাডিজ (এইচএসসি সমতুল্য ), ১৯৯০ সালে বাংলাশে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক  বোর্ড কর্তৃক  স্বীকৃত ৪ বৎসর মেয়াদি ডিপে­ামা-ইন-মেডিসিন এন্ড সার্জারী ,নিজেদের উদ্যোগে আভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় ১৯৯৩ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্বীকৃত ব্যাচেলর অব বিজনেস ষ্টাডিজ এবং ২০০১ সালে  ব্যাচেলর অব এডুকেশন কোর্স চালু করা হয়। শিক্ষক নিয়োগ করতে না পারায়  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাচেলর দুটি কোর্স বর্তমানে বন্ধ আছে।

১৫,জুন,১৯৭৫ ইং

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাংগালী,স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  অবিস্মরনীয় বাণী ’’ দারিদ্র পীড়িত বাংলাদেশের শিক্ষার মূল লক্ষ্য আত্মকর্মসংস্থানই একমাত্র আদর্শ হওয়া উচিৎ ।’’তা বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আরেক সৈনিক মোঃ মজিবুল হক (সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব এবং ৫ম ও ৬ষ্ঠ পে- কমিশনের চেয়ারম্যান) ব্যতিক্রমধর্মী&এ কলেজটি মরহুম আলহাজ্ব মোঃ আকবর আলী খানের সার্বিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠা করেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল মুধামুক্ত সোনার বাংলা গড়তে দরিদ্রতা নিরসন ও বেকারত্ব বিমোচনে দেশের মানুষকে স্বকর্মে প্রতিষ্ঠিত করা। অত্র কলেজটি জাতির জনকের আদর্শকে বাস্তবায়িত করতে স্বল্পমেয়াদি কোর্সের উপর জোর দিয়েছে। কারণ কোন এক সমীক্ষা জরিপে দেখা গিয়েছে বাংলাদেশের জন্য সর্বদিক বিবেচনায় যেকোন একজন বেকার মানুষকে স্বকর্মে প্রতিষ্ঠিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পাঠ্যক্রম গ্রহীতার চেয়ে স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষিত গ্রাহকই অধিক যত্নবান হচ্ছেন। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে যে,একজন স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষিত যুবক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পরক্ষণেই আত্মকর্মসংস্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন,এমনকি তার কর্মের পরিধির উপর নির্ভর করে সহায়ক কর্মী হিসেবে অন্য কয়েকজন বেকারকেও কর্মসংস্থানের সূযোগ করে দিয়েছেন। অপরদিকে একই ট্রেডে দীর্ঘমেয়াদি পাঠ্যক্রম সম্পন্ন করার পর স্বকর্মে প্রতিষ্ঠিত না হয়ে পরনির্ভরশীল চাকরির জন্য প্রহর গুনছেন। তাছাড়া  বহির্বিশ্বেও স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষিত শ্রমশক্তির যথেষ্ট বাজার রয়েছে,যা রপ্তানিতে এদেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডারও চাঙ্গা করার সূযোগ অবধারিত। উন্নত দেশসমূহ বিশেষ করে এশিয়ার চীন,জাপান,কোরিয়া ইত্যাদি দেশসমূহে স্বল্প প্রশিক্ষিত শ্রমকে জাতীয়ভাবে গুরুত্ব দেয়াতে তাদের অর্থনীতি বিশ্ববাজারে দৃষ্টান্ত দেয়ার পর্যায়ে উন্নত হয়েছে। উন্নয়নশীল এদেশে বিভিন্ন কারণে জনসংখ্যা অনুপাতে কর্মসৃষ্টির তেমন কোন সূযোগ না থাকায় শ্রম বাজারে চাহিদার তুলনায় বর্ধিত অনুৎপাদনমুখী  পুথিগত ডিগ্রি অর্জনকারীদের বেকারত্ব বাড়ছে। তদুপরি কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত উৎপাদনমুখী বেকার ত আছেই। জাতির জনকের আদর্শে প্রতিষ্ঠিত অনন্য এ কলেজটি ’’মানুষ মানুষের জন্য’’মানবতার ডাকে সরকারের পাশাপাশি কার্যক্রম পরিচালনা করতে ক্রমশঃ দেশব্যাপী অস্থায়ীভাবে তা সমপ্রসারণ করা হয়।  বৃহত্তর জনস্বার্থে পরিচালিত এহেন বিষয়টি ১৯৮৫সালে সরকারের নজরে আসলে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থায়ীভাবে শাখা স্থাপন,ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্প্রসারণ,কোর্সের মূল্যায়ন ও সনদপত্র প্রদান,সরকারি বেতনভাতা প্রদান,কোর্স পরিচালনা ইত্যাদি ব্যাপারে মহামান্য রাষ্ট্রপতি নীতিমালা অনুমোদন করেন যা ১৯৮৬সালে সংসদীয় ১নং আইনের অন্তর্ভূক্ত হয়। উক্ত আইনের কাঠামোতেই কলেজটি পরিচালিত হচ্ছে। এলাকার চাহিদায় বেকারত্ব নিরসনে পরিচালিত আত্মকর্মসংস্থানমূলক কোর্সসমূহের মধ্যে রয়েছে-(১) কম্পিউটার প্রশিক্ষণ (২) মৎস্য চাষ (৩) নার্সারী প্রশিক্ষণ (৪) শস্য সংরক্ষণ (৫) বায়োগ্যাস (৬) মৌমাছির চাষ (৭) কনফেকশনারী (৮)  রান্নাবান্না (৯)  ইউনানী চচেকিৎসা  (১০) পোষাক তৈরি (১১ )পুতুল/ফুল তৈরি  (১২) ব­ক-প্রিন্টিং (১৩) বাটিক-প্রিন্টিং (১৪) এমব্রয়ডারী  (১৫) নকশিকাঁথা (১৬) কুটির শিল্প (১৭) বিউটিফিকেশন (১৮) আমিনশীপ (১৯) কার্পেন্ট্রি (২০) রেডিও/টিভি (২১) মোবাইলফোন রিপেয়ারিং (২২) ফ্রিজ/এয়ারকন্ডিশন (২৩) অটোশপ/ওয়েল্ডিং(২৪) প­াম্বার পাইপ ফিটিং (২৫) ইলেকট্রিসিয়ান (২৬) নকশা/ডিজাইন (২৭) রাজমিস্ত্রির কাজ (২৮) হোটেল ম্যানেজমেন্ট (২৯) মটর ড্রাইভিং (৩০) বাদ্যযন্ত্র/সংগীত শিক্ষা (৩১) তথ্য যোগাযোগ (৩২) দলিল লিখন (৩৩) শর্টহ্যান্ড ইত্যাদি।

 

 বর্তমানে ঢাকায় একটি মহিলা শাখাসহ ৫টি এবং দেশের অন্যান্য জায়গাতে পঞ্চগড়, মেহেরপুর, রাজবাড়ী, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, নরসিংদী, ময়মনসিংহ, কিশোরগজ্ঞ, গাজীপুর, মানিকগজ্ঞ, চিটাগাংরোড(নারায়ণগজ্ঞ), মতলব উত্তর, মনোহরদি, হোসেনপুর, কটিয়াদি, পাকুন্দিয়া, চান্দিনা, বুড়িচং, বরুড়া, গোপালগজ্ঞ,হোমনা,মুরাদনগর ইত্যাদি স্থানে শাখা এবং দেশের প্রত ৩৫টি স্থায়ী্যন্ত অঞ্চলসহ বেশ কয়টি জেলাতে ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ ইউনিট কাজ করে যাচ্ছে। 

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক 0 hq@arrow-atccbd.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোঃ আব্দুল খালেক মুন্সি 0 hq@arrow-atccbd.com
মোঃ আলাউদ্দিন সরকার, 0 hq@arrow-atccbd.com
খোকন চন্দ্র সরকার 0 hq@arrow-atccbd.com

( ক) স্বল্পমেয়াদি -৫০০জন

( খ ) ডিপপ্লোমা-ইন-কমার্স-১২০ জন।

( গ ) ডিপ্লোমা-ইন-বিজনেস ষ্টাডিজ- ১৮৭ জন ।

( ঘ ) ডিপ্লোমা-ইন- ইউনানী  মেডিসিন এন্ড সার্জারী - ১০০ জন ।

৯৮.৭৫%

কলেজটি আকবর আলী খান শিক্ষা কমপ্লেক্স এর একটি অংগ সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। সরকার অনমোদিত বিশেষ আইনে আকবর আলী খান শিক্ষা কমপ্লেক্স কমিটি দ্বারা পরিচালিত। তাতে  কমপ্লেক্সভুক্ত প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সদস্যসহ ১৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে বর্তমানে বিধি মোতাবেক আকবর আলী খান পরিবারের যোগ্যতম সদস্য প্রকৌশলী মোঃ রশিদুল হক খান চেয়ারম্যান এবং আকবর আলী কারিগরি ও বাণিজ্য কলেজ অধ্যক্ষ পদাধিকার বলে  মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়া  এতে জনাবমোঃ মজিবুল হক (সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব এবং ৫ম ও ৬ষ্ঠ পে- কমিশনের চেয়ারম্যান  প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে এবং সাবেক সচিব  জনাব নাজমুল আহসান চৌধুরী প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভূক্ত আছেন।

বিগত ৫ বছরের সমাপনী/ পাবলিক  পরীক্ষার ফলাফল

পরীক্ষার সন

কোর্সের নাম

মোট পরীক্ষার্থী

মোট উত্তীর্ণ সংখ্যা

 পাশের হার

মন্তব্য

২০০৭

( ক ) স্বলপমেয়াদি

         ৪৮৫৫

        ৪৭৭০

৯৮.২৫%

 

( খ) ডিপে­ামা-ইন- কমার্স

              ৬৩

 ৬২

৯৮.৪১%

 

( গ ) ডিপে­ামা-ইন-বিজনেস ষ্টাডিজ

                   ৭৭

                   ৭৭

১০০%

 

( ঘ ) ) ডিপে­ামা-ইন-ইউনানী মেডিসিন এন্ড সার্জরী

               ৮৮

                   ৮৭

৯৮.৮৬%

 

            সর্বমোট

৫০৮৩

৪৯৯৬

৯৮.২৯%

 

২০০৮

( ক ) স্বলপমেয়াদি

           ৪৯৫০

            ৪৯২১

 ৯৮.২৫%

 

( খ) ডিপে­ামা-ইন- কমার্স

৮৫

        ৮৪

  ৯৮.৮২%

 

( গ ) ডিপে­ামা-ইন-বিজনেস ষ্টাডিজ

                     ৮৯

                      ৮৬

  ৯৬.৬৩%

 

( ঘ ) ) ডিপে­ামা-ইন-ইউনানী মেডিসিন এন্ড সার্জরী

                 ৮৫

                      ৮৫

 ১০০%

 

            সর্বমোট

            ৫২০৯

               ৫১৭৬

৯৯.৩৭%

 

২০০৯

( ক ) স্বলপমেয়াদি

৪৯৭৫

         ৪৯৬১

৯৯.৭২%

 

( খ) ডিপে­ামা-ইন- কমার্স

     ৬৬

              ৬৬

 ১০০%

 

( গ ) ডিপে­ামা-ইন-বিজনেস ষ্টাডিজ

                       ৮৬

                   ৮৫

  ৯৮.৮৩%

 

( ঘ ) ) ডিপে­ামা-ইন-ইউনানী মেডিসিন এন্ড সার্জরী

     ৬৮

                   ৬৭

  ৯৮.৫৩ %

 

            সর্বমোট

৫১৯৫

৫১৭৯

  ৯৯.৬৯%

 

 ২০১০

( ক ) স্বলপমেয়াদি

৪৮৯৫

৪৮৯০

  ৯৯.৯০%

 

( খ) ডিপে­ামা-ইন- কমার্স

    ৮৪

   ৮৪

  ১০০%

 

( গ ) ডিপে­ামা-ইন-বিজনেস ষ্টাডিজ

                       ৩০

           ৩০

১০০%

 

( ঘ ) ) ডিপে­ামা-ইন-ইউনানী মেডিসিন এন্ড সার্জরী

     ৭০

                   ৬৯

৯৯.৮৯%

 

            সর্বমোট

৫০৭৯

৫০৭৩

    ৯৮.২৯%

 

২০১১

( ক ) স্বলপমেয়াদি

             ৩৮০৫

 ৩য় টার্ম অপ্রকাশিত

-

প্রশিঃঅসমাপ্ত

( খ) ডিপে­ামা-ইন- কমার্স

      ৩১

 ৩১

  ১০০%

 

( গ ) ডিপে­ামা-ইন-বিজনেস ষ্টাডিজ

                     ১৫৫

          ১৫২

  ৯৮.০৬%

 

( ঘ ) ) ডিপে­ামা-ইন-ইউনানী মেডিসিন এন্ড সার্জরী

     ৭২

ফল অপ্রকাশিত          

 

 

            সর্বমোট

৫০৮৩

৪৯৯৬

৯৮.২৯%

 

 

ভাল ফলাফলের উপর ভিত্তি করে এ শিক্ষা ব্যবস্থায় বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অথবা মাধ্যমিক ও্ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক এখনও কোন প্রকার মেধা বৃত্তি চালু করা হয়নি। আমরা তা চালু করার জন্য অনরোধ জানাচ্ছি। তবে বাংলাদেশ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক বোর্ড হতে প্রতি বৎসরই তা পেয়ে আসছে।

অনাগ্রহী কারিগরি শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষার প্রভাবে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে বেকারত্বের সংখ্যা বাড়ছে। প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা পেলে তা রোধ করতে সারাদেশ আত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে স্থায়ী শাখার সংখ্যা ও ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ ইউনিটের সংখ্যা  সম্প্রসারণকরা,দেশ উপযোগি একান্ত আত্মকর্মসংস্থানমূলক ২ বৎসর মেয়াদি সমবায়  প্রকৌশল  ও কুটিরশিল্প প্রকৌশল ডিপ্লোমা কোর্স চালু করার  ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা রয়েছে। শাখাসমূহের উন্নয়নসহ সার্বিকভাবে সকল কার্যক্রমের উন্নয়নের পরিকল্পনাও হাতে নেয়া হয়েছে।

গৌরীপুর বাজার,পোঃ-গৌরীপুর,উপজেলা-দাউদকান্দি,কুমিল্ল-৩৫১৭।EIIN -132599 কলেজ কোড - বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-৬৫০৫৭, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড,ঢাকা-৮০২৫,বাংলাদেশ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক বোর্ড-১০০৯, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-৩৭১০,মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর-০২১৯৩৬৫১৩২০২,উচ্চ মাধ্যমিক ফিমেল ষ্টুডেন্ট ষ্টাইপেন্ড প্রজেক্ট-২১৯৩৬০৭, মুঠোফোন- ০১৮৪০৫৫৫৭২৭,০১৬৭২১৭৮৮৭৬,০১৭৩৬৩৪১১০৮-০৯,০১৭১৫৫২৪৫১০

ওয়েব সাইট- www.arrow atccbd.com   ইমেইল-hq@arrow-atccbd.com



Share with :

Facebook Twitter